স্মার্ট ফোন ব্যবহারে ক্ষতি নয় বদলাতে পারে জীবন! শুধু নিজেকেই বুঝে নিতে হয়

0
advantages of smart phone usage
স্মার্ট ফোনের ব্যবহারে বদলাতে পারে জীবন

হাজার সংবাদ ডেস্ক: অনেকের ধারণা স্মার্ট ফোন ব্যবহার করলে তাদের পড়াশোনার ক্ষতি হয়। বিশেষ করে বাড়ির অভিভাবকরা এটা সব সময় বলে থাকে তাদের সন্তানরা যদি পড়াশোনার সময় স্মার্ট ফোন হাতে নিয়ে কিছু করে তখনই তারা বিরক্ত হয়ে বাচ্চাদেরকে বকাবকি করে। স্মার্ট ফোন হাতে নিয়ে পড়াশোনা হয় না উল্টা পড়াশোনার ক্ষতি হয়। ধারণাটি একেবারেই ভুল তাই একটি গবেষণা প্রমাণ করে দিয়েছে। গবেষণাতে বলছে যে স্মার্টফোনে হাতে থেকে পড়াশোনার ক্ষতি হয় না উল্টে লাভ হয় যদি স্মার্টফোন চালক স্মার্টফোনটিকে ভালো কাজে ব্যবহার করে।

তাতে শেখার আগ্রহ টা অনেকটাই বেড়ে যায়। দেখা গেছে তাতে পরীক্ষার ফল টাও ভাল রকম ভাবেই পাওয়া যায়। সেই গবেষণা বিশেষজ্ঞরা ছাত্রছাত্রীদের ওপর এক ধরনের বিবেচনা করেছিল সেখানে। তারা দেখতে চেয়েছিল যে সব ছাত্র-ছাত্রীরা সবসময়ের জন্যে ফোন নিয়ে ঘাটাঘাটি করে। ফোনের মধ্যে পড়ে থাকে সব সময়। তার জন্য তাদের পরীক্ষার ফল ভালো হয় না খারাপ হয় সেটা দেখার জন্য। সত্যি কি স্মার্টফোনের জন্য পড়ুয়াদের পড়াশোনা নষ্ট হয় সেটা জানতে চেয়েছিল বিশেষজ্ঞরা। জানা যায় যারা সবসময় ফোন নিয়ে পড়ে থাকে তাদের পরীক্ষার ফল টাই সব থেকে ভালো হয়েছে। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গবেষণায় পড়ুয়াদের উপর এই মত জানা গেছে। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের দেখা গেছে যে ছাত্রছাত্রীরা সবসময় ফোন নিয়ে ঘাটাঘাটি করে তারা শুধু ফোনের মধ্যে থেকে ভালো বিষয়বস্তু খুঁজে বের করে।

তারা নানান রকম ভাবে নতুন সাইট থেকে অতি সহজে কিভাবে পড়াশোনা করা যায় সেটা খুঁজে বের করে তার সঙ্গে নানান রকম নিউজ চ্যানেল ফলো করে। সেই সব ছাত্র-ছাত্রীদের ধারণা যে স্মার্টফোন ব্যবহার করলে তাদের পড়াশোনার জন্য যে কষ্ট করতে হয় সে কষ্টটা কম হয় স্মার্টফোনের জন্য তাদের অতি সহজে পড়াশোনা কমপ্লিট হয়ে যায়। কষ্ট করে বাইরে পড়তে যেতে হয়না। যেসব ছাত্র-ছাত্রীরা শিক্ষার ওপর সচেতন এই স্মার্টফোন তাদের হাতে পেয়ে অনেক ছাত্র-ছাত্রী বলে যে স্মার্টফোনের ভালো দিকটা খুঁজে নিজেদের ভবিষ্যত করাটাই ভাল। খারাপ দিক খুঁজে নিজের ভবিষ্যৎ টা নষ্ট করতে চায়না কেউই। এই স্মার্টফোনে তারা তাড়াতাড়ি সবকিছু শিখে নিতে পারে নানান ভাবে। বিশেষ করে এই করোনা পরিস্থিতিতে সচেতন পড়ুয়ারা বাড়িতে বসে এই স্মার্টফোনের মাধ্যমে আরও অনেক কিছু শিখতে ও জানতে পেরেছে। সেইসব পড়ুয়াদের জন্য হাতে যদি স্মার্টফোন থাকে তারা তা নিয়ে খুব খুশি তারা। কোন রকম ভাবে অন্য কোন বাজে অ্যাপ এ সময় নষ্ট করতে চায় না তাদের ধারনা এই স্মার্টফোন মাধ্যমে যদি ভালো কিছু শেখা যায় তাহলে বাজে রকম কোনো ছবি বা কোন খবরে না গিয়ে তাতে সময় নষ্ট না করে ভালো দিকটাই বেছে নেওয়াটা ভালো।

তাতে তাদের ভবিষ্যৎ টা ভালো হবে। তারা এটা ভালো রকম ভাবেই বুঝে গেছে। আগের পড়ুয়াদের থেকে এখনকার প্রজন্মের পড়ুয়ারা অনেকটা সচেতন তাই এখনকার পড়ুয়ারা কোনরকম ফেসবুক চ্যাট টুইট এইসব নিয়ে পড়ে থাকে না। তারা খুঁজে পেতে চায় নতুন নতুন ভাবে পড়াশোনা কিভাবে করা যায় এই স্মার্টফোনের মাধ্যমে। সেইসব ছাত্র-ছাত্রীরা নতুন নতুন নোট তৈরি করার জন্য বা এগুলো বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য সেই বন্ধুদের থেকে নতুন নোটস নেওয়ার জন্য তারা এক ধরনের গ্রুপ তৈরি করে তার মাধ্যমেও পড়াশোনা করতে শুরু করে। গবেষণাকরা এটাও দেখেছেন যারা স্মার্টফোন নিয়ে সারাক্ষণ থেকে পরীক্ষার ফল ভালো আসেনি তারা স্মার্টফোনের ভালো দিকটা কখনোই দেখেনি। সেই সব ছাত্র-ছাত্রীরা স্মার্টফোনের মধ্যে খারাপ বিনোদনটা খুঁজে নিত। তারমধ্যে আকৃষ্ট হয়ে পড়তো যার জন্য তাদের দিনের পর দিন রাতের ঘুম চলে যেত। কারণ স্মার্টফোনের মধ্যে সেই সব বিনোদন এর উপর থেকে তারা নিজেদেরকে বের করে আনতে পারেনা। যার জন্য সেই সব ছাত্র-ছাত্রীরা মাইকফোবিয়ায় রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। কি কারনে তাদের পরীক্ষার ফলাফল হচ্ছে না। স্মার্ট ফোন টাকে যদি ভালোভাবে কাজে লাগানো যায় অবশ্যই পরীক্ষার ফল সেইসব ছাত্র-ছাত্রীদের ভালই হয়। তাই স্মার্ট ফোন যেমন আমাদের অনেক সুবিধা হয় তেমন অসুবিধাও আছে তবে সেক্ষেত্রে বুঝে ব্যবহার করতে হবে।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন